NASA

নাসা (NASA)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এর সম্পূর্ণ নাম National Aeronautics and Space Agency। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার সদর দফতর ওয়াশিংটন ডিসিতেঅবস্থিত। পূর্বতন নাকা (ন্যাশনাল অ্যাডভাজরি কমিটি ফর অ্যারোনটিক্স) অবলুপ্ত হয়ে ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাক্ট অনুসারে নাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কিন মহাকাশ যাত্রায় এই প্রতিষ্ঠানে ভূমিকা অ্যাপোলো চন্দ্রযাত্রা, স্কাইল্যাব মহাকাশ স্টেশন ও স্পেস শাটল প্রভৃতিতে লক্ষ্য করা যায়। নাসা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রকল্পের সাথে যুক্ত ৫টি সংস্থার একটি।
সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর মতো নতুন তিন গ্রহের সন্ধান পেয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এগুলোর আকার প্রায় পৃথিবীর সমান। গ্রহ তিনটিতে পানির অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

kennedy-space-center-florida(670-449)

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এরোনটিক্স এন্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) বিজ্ঞানীরা জানান, পৃথিবী থেকে সূর্যের যে দূরত্ব, ওই গ্রহ তিনটিও একই দূরত্বে থেকে কেন্দ্রীয় নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরছে। আকার, আয়তন ও অবস্থানের দিক থেকে পৃথিবীর সঙ্গে গ্রহগুলোর অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। পৃথিবী থেকে অন্তত ১ হাজার ২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত গ্রহ দুটি সম্প্রতি নাসার অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ কেপলারের চোঁখে ধরা পড়ে। এদের নাম দেওয়া হয়েছে কেপলার সিক্সটি টু-ই, কেপলার সিক্সটি টু-এফ ও কেপলার-সিক্সটি নাইন-সি।
গ্রহগুলোর তাপমাত্রা পৃথিবীর প্রায় সমান। আর তাই বিজ্ঞানীদের ধারণা এখানে পানি থাকতে পারে। এমনকি প্রাণের অস্তিত্বও থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এগুলোর পৃষ্ঠভাগ হয় পৃথিবীর মতো কঠিন শিলা দিয়ে গঠিত অথবা বরফে আচ্ছাদিত। একই সঙ্গে কোনো কোনো স্থানে বৃহস্পতি ও নেপচুনের মতো গ্যাসের তৈরি আবরণও পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় নক্ষত্র যার নাম দেওয়া হয়েছে কেপলার সিক্সটি টু। এর বয়স সূর্যের তুলনায় অনেক বেশি। তবে আকারে এটি সূর্যের চাইতে কিছুটা ছোটো। তাপমাত্রাও তুলনামূলকভাবে সূর্যের চাইতে কম। পৃথিবী থেকে সূর্যের যে দূরত্ব, ওই গ্রহগুলোও একই দূরত্বে থেকে কেন্দ্রীয় নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে ঘুরছে।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে কেপলার মিশনের যাত্রা শুরুর পর এ পর্যন্ত সৌরজগতের বাইরে পৃথিবী সদৃশ শতাধিক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

No comments yet.

-যা কিছু বলার-