Opening Night

নতুন নাটক চর্চার মধ্যবর্তী সময়ে Broad Way অভিনেতা (জেনা রাউলিন্ড) প্রেমময় ভক্তের আকস্মিক মৃত্যুর সাক্ষী হয়ে যায়। পরোক্ষণেই তার জীবনে হট্টগোল শুরু। রাউলন্ডের নাট্য কৃতিত্বের সুবাদেই শিরোনামটি হয়। জন ক্যাসাভেটের “ওপেনিং নাইট” যাহাতে কদাচিৎই অভিনেতা থাকে। তবে বিষয়টি একা তার। তবে ইহার রূপক কার্যবলী, পরিচালকের অসাধারণ সৃষ্টি। এই সৃষ্টিকর্ম হৃদয়ে তীব্র মোচড় দেয়
“আমি অভিনয় করছি না,” মঞ্চের তাঁরকা মার্টাল গর্ডন (জেনা রাউলিন্ড) তার হতবুদ্ধ নির্দেশককে বললো, কথাগুলো ভৌতিক ভাওলীনের সংগীত মূর্ছনার পর্ব শেষে” “ওপেনিং নাইট” নাটকে। চলচ্চিত্রের প্রতি ইহা মারাত্বক অভিযোগ বহন করে, যার ঝাপসা ইতিকথার মধ্যে সম্পর্কযুক্ত অভিনয় এবং সত্তা এবং কার্যাবলী। মারর্টাল লাগসই ঘোষণায় দ্বৈত লোভের উদ্রেক হয়, তবে এটা বেপরোয়া ওজর। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো একজন নারী চরিত্র সরাসরি বাদ দেওয়ার জন্য এটি একটি সাহসিক প্রত্যাখ্যান।
জন ক্যাসাভেট এর নবম বৈশিষ্ট্য শেষ হয়েছিল ১৯৭৭ সালে এবং তার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ইউএসএ সব অবজ্ঞা করে। তবে তার খুব কম কর্মই দুত্যিময় হয়। যখনই ক্যাসাভেটের অন্য ছবিগুলো হয় তাৎক্ষণিক নমুনা আর চলচ্চিত্ররীতিতে ঘৃণার স্তর। কিন্তু তা পরিমাপ এবং দায়ী নিরবিচ্ছিন্ন ঋষীঁ “মূহুর্ত থেকে মূহুর্তের অভিজ্ঞতা”– দ্বৈত ফ্রেম, বহুমুখি আয়না ছিল “ওপেনিং নাইট” তবে পরে বাদ দেয়া হয়।
চলচ্চিত্র নির্মাতা সহজাত ভঙ্গিতেই অভিন্ন রেখেছে অভিনেতা এবং চরিত্রের (শিল্প ও জীবন) প্রতিধ্বনী ঘুরেফিরে এনেছে মেলড্রামার দ্বার প্রান্তে। উৎপাত যাইহোক মারর্টাল এর পরিচালনায় অন্যান্যতা, যা অবশ্যই বলতে হয় “ওপেনিং নাইট” এর নাটকীয়তা যা ক্যাসাভেটের অন্য ছবিতে একান্ত উগ্রতা, সত্য অভিব্যক্তির জন্য সম্পর্কচ্ছেদ। একক, নিঃসন্তান এবং তীক্ত প্রথা নাটকে যার শিরোনাম ”দ্যা সেকন্ড ওমেন” (তার আছে ঋতুবর্তি চরিত্রের শিরোনাম), মার্টাল মাতাল হয়ে পড়ে। একজন টিনএজার মেয়ের মৃত্যুর সাক্ষীতে হতাশও হয়ে পড়ে। কোন এক ঝড় রাতে মেয়েটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খায়। ঠিক মঞ্চের বাইরে। বিক্ষিপ্ত চিত্তের মারর্টাল প্রবোধ খুজতে লাগলো মঞ্চের চলমান প্রেমিক থেকে এবং পর্দার বাইরের অতীত মাউরাইস (ক্যাসাভেট) সে রূঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করলো “তুমি আমার নিকট মহিলা ব্যতীত আর কিছু না।” সে বললো “তুমি একজন পেশাদার।”
মাউরাসের ধ্বংসাত্বক এক-দুটি মুষ্ঠি অভিনেতার একাকীত্বের যবনিকা টানে এবং তা অত্যন্ত দৃঢ়তা ও আত্বপরিচয়ে; সে ছিল মধ্য বয়সের নারী যে কিনা নষ্টামীর জন্য বল প্রয়োগের এবং কুশলীদের জন্য এক ফাঁদ তৈরি করেছিল। (নাটকটির হলুদ বর্নচোখা নেকড়ে নাট্য নির্দেশক, ম্যাননী (বেন গ্যাজারা) মাউরাসকে অভিযুক্ত করে।) “এই মহিলা ব্যতীত কেউ কাজ করার নেই। যাই হোক তুমি মহিলা নও।” সে রসিকতা করে বুঝাতে চাইল যে মারর্টালকে যে দৃশ্যে চড় মারে। পরবর্তীতে তাকে দুঃখ প্রকাশ করে “সবাই তোমাকে ভালোবাসে। তুমি হচ্ছো উচ্চ মূল্যের পেশাদার।” যাই হোক নতুন অপেশাদারিত্বের, তবে মারর্টাল নাটক “নিউ হ্যাভেন ট্রিউটস” তে প্রবল বিরোধীতা করে।
সে প্রতিবাদের সঙ্গে বলে যে সে সাধারণ কুশলী নয়। ভার্জিনিয়া, সকল ভীততার সাথে বলে এই বৈপরীত্য আসলেই সত্য। ভার্জিনিয়া মাঝে পাওয়া যায় যে,- “নাট্যকার সারাহ গুডই” কে (জোয়ান বালনডেল) যে কি না কয়েক দশক ধরে তার অগ্রজ। তবে তার পতন কল্পনাতীত। সে মোটেই তৈরি ছিল না বৃদ্ধ মহিলা চরিত্রে, যা কিনা ভার্জিনিয়া লিখেছে “আমি এমন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করব নাটকটিতে, যেখানে বয়সের ভিন্নতা প্রকাশ পাবে না।” সে ঘোষণা করে- এই প্রলুব্ধের মতই অন্য ক্যাসাভেটসের মূল চরিত্র, উন্মাদতা, ভারাক্রান্ত এবং বীরসুলভ।
সহকর্মীরা বেদনাত্বক মনে বললো চরিত্রের ভিন্নতা খুবই দুঃখজনক। আর ও আছে সাধারণ বিষয়ে বিমুখতা।
মৃত ভোক্ত নেন্সীর সম্মানে মার্টাইল সংগীত গঠন করে। এইভাবেই প্রাথমিক ভৌতিকের দৃশ্যায়ন মারর্টালের মত এটি। “আমার নিজের জীবনের প্রথম মহিলা।” আর এভাবেই তৈরি “দ্যা সেকেন্ড ওপেন।”
Opening Night_Screenshot 600_338
চর্চা এবং কৃতিত্বের মধ্যে, ভৌতিক আনুষাঙ্গিক সদস্য, মারর্টাল চিত্র নাট্যটিতে, জড়াত কিছু বিষয় এমনকি অবশিষ্ট চরিত্রসমূহ। (প্রথম বিদ্রোহী চর্চাতে আমরা দেখি যে, এবং পরিস্কার ছিল, দর্শক পরিপূর্ণ চতুর্থ দেয়ালে ছায়াছবি শেষ হবার পূর্ব মূহুর্তে।) ইহা অনভিজ্ঞ গ্রহণ, আশ্চার্যতা অভিনয়ের অংশ যা ক্যাসাভেটসের ধারনা কর্মের কৃতিত্ব এবং সামাজিক সম্পর্কের টান পড়ন। তার ছবিগুলো অতি মাত্রার অভিনয়ের বাইরে ও ভৌতিকতায় ভরপুর।
তার পূর্ণমনযোগ ছিল প্রাত্যহিক গবেষণায় মঞ্চের বিভিন্ন ফাটলতা।- কিছু সুযোগ সুবিধা, এমনকি নগ্ন সমালোচনা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যখন কৃতিত্ব ব্যর্থ হত, যখন চিত্র নাট্যতে প্রমোদতা থাকতনা, “চরিত্রের” অসহায়তা যা চরিত্রটি ভেঙ্গে ফেলে। উপযুক্ত স্থানে নিয়মের বাইরে ঘটে যায়।
মারর্টাল গর্ডন যে অনেক সময় ধরে ইহা করে। এই চেতনায় যে, মহা ক্যাসাভেটের চরিত্র; বিদ্রোহী অভিনেতা, সাহিত্যের অভিপ্রায় দ্বারা তিনি কর্মদক্ষতা ভেঙ্গে ফেলে।

“মনে হচ্ছে আমি বাস্তবতা হারিয়েছি……বাস্তবতা।” মারর্টাল কোন এক স্থানে উক্তি করে যাহাতে অবাক হওয়ার কিছু না। তা সত্ত্বেও কদাচিৎ সংযোগ নাটকের মধ্যে চলচ্চিত্র এবং চর্তুদিকের দৃশ্য “ওপেনিং নাইট” হিংস্যাত্বক প্রবন্ধ উচ্চারিত ‘চড়’ দৃশ্যটি উত্তমভাবে চিত্রায়িত এবং সুউচ্চ ভার্জিনিয়া মারর্টালের জন্য মারাত্বক চড় প্রবন্ধ। যা তার নাটকের পাশবিকতা চিত্রায়িত হয়।
চর্চার মধ্যে, মাউরেসী একদিন পরই কুশলীদের পরিত্যাগ করে। এমনকি মারর্টাল যোগাযোগ তৈরি করে, সে মেঝেতে পড়ে যায়। যাতে পরিত্যাগ করা না হয়। তবে স্টেননিং চরিত্র ভালই করে যে রাউল্যান্ডসের সারা নাউসন পূর্ণ প্রশংসা করে” “লাভ স্ট্রীম” (১৯৮৪) অবশ্যই মারর্টাল যে কিনা রাউলিন্ডের অসাধারণ পরিচিকা- নাড়ী কাঁপানো এবং ভালবাসার জন্য প্রয়োজন “এ ওমেন আন্ডার দ্যা ইনফ্লুসিয়ান- ১৯৭৪।”
(ম্যাবেল লংহেতী তাদের সবার মা হয়েছে)। এই সময় চড় উত্তেজিত করে নতুন দায়দায়িত্ব। সে আর্তনাদ করে, চিৎকার করে কান্না করে, হাসে এবং কৃর্তির সময় ঘুরে দাড়ায় যেন পুরোটাই খেলা।
“আমরা কখনও ভুলতেই পারিন না যে এটি একটি নাটক।” মার্টাল উপদেশ যে কত শক্ত ইহা তার জন্য এবং আমাদের জন্য একটি পূর্ণ বাস্তবতার রূপদান।
[embedplusvideo height=”420″ width=”612″ editlink=”http://bit.ly/MWhU50″ standard=”http://www.youtube.com/v/smGRxwjYgLk?fs=1″ vars=”ytid=smGRxwjYgLk&width=612&height=420&start=&stop=&rs=w&hd=0&autoplay=0&react=1&chapters=&notes=” id=”ep7978″ /]
অভিনেতা পিচ্ছিল কাটবে যদি না সে অভিনয় এবং বাস্তবতার মধ্যে বিরাজ না করে। দৃশ্যপট বন্ধ হলেই পরিবর্তন। অনিশ্চিয়তাভাবে অভিনেতা নাটকে প্রতিধ্বনির স্থানে উচ্চারণ ধ্বনীতের লেয়ার থাকবে। তবে সচলমঞ্চে গথিত হবে ভার্জিনিয়া এবং মার্টি জোরালপের জন্য ছায়া এবং কিছু সময় স্থানান্তর থাকবে অচল মঞ্চের সম্পর্কযুক্ত (মার্টাল এবং মাউরেসী) যে রূপ দৃশ্যের বাইরে এক (জেনা এবং জন)।

তথাপি “ওপেনিং নাইট” প্রায়ই হলিউডের ঐতিহ্যবাহী স্থান যা মিলো ড্রামার উদাহরণ স্বরূপ ১৯৫০- “অল অ্যাবাউট ইভ” (বিলন্ড্রীসের প্রথম চরিত্র বলা হয়েছিল বিটাডেবিসকে) ইহার ঘাটতি বিস্তৃতি এবং জঘন্যতা। ঘূর্ণিত মঞ্চ/ দৃশ্যের প্রতিফলন, ইহার উজ্জ্বল ভুল ফুটিং দর্শক এবং আবদ্ধ রাখা মঞ্চ। ক্যাসাভেটের চলচ্চিত্র কর্ম সম্ভবত জেকউ রিভেটের কাছাকাছি। “ওপেনিং নাইট” অনুপ্রেণিত হয়েছে অন্তত দুজন ইউরোপিয়ান পরিচালকগন : পেডরো আলমুডুভার যে অভিনয় করেছিল তার “অল এ্যাবাউট ইভ” ১৯৯৯ রিভিশন। “অল এ্যাবাউট মাই মাদার” (যাহাতে অংকিত হয়েছে বৃষ্টি রজনীতে মারাত্বক দূর্ঘটনা) এবং আরনল্ড ডিসপ্লেচিন যার “ইস্থার খান (২০০০), যদিও ইহার মূল উনবিংশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তের উপন্যাস-সিদ্ধ এবং সাথে আছে মূহুর্তের পাগলামী এবং মঞ্চ অভিনেতা এবং আত্ব প্রকৃতি। “ওপেনিং নাইট”- ক্যাসাভেট নিজেই সত্যিকারের প্রযোজক এবং সরবরাহকারী।- যা আমেরিকাতে অপরাধ সুলভ বিবেচ্য হত।
যেখানে ১৯৯১ সালের পূর্ব পর্যন্ত থেয়াটার বন্টনে কোন আগ্রহ ছিল না।
শুধুই রউলেন্ডের অলৌকিকভাবে মার্টালের ভয়, সে ঢেলেছে তার মহাকাব্যে। চরম পরিণতিকে সংগ্রাম করতে হয়েছে অস্তিত্বের সমাধানে। (এরূপ দ্যা কিলিং অফ আ চাইনিজ বুকিতে এক পেশে তিক্ত মূল চরিত্র যে কিনা যবনিকার দিকে নিয়ে গেছে এবং যা দৃশ্য অবশ্যই চলমান) শেষের দিকে, ওপেনিং নাইট মোড় নেয় আধ্যাত্বিকতার উদ্ধিগ্নতায়। নেন্সির দাসত্বের মুক্তিতে সে মন্ত বলছিল, একজন আনন্দময় মার্টাল মোড় নেয় মাউরিসের এ্যাপার্টমেন্টে যা নাটকের নতুন একটা দিক : “চল ফেলে দেয়া যাক এবং দেখ যদিও ইহাতে মানবিকতা না থাকে,” ক্যাসাভেট যে নিয়েছিল অভিনয়ের কাজ। যাহাতে বুঝ থাকতে হবে- বিশৃখলা, নোংরা, কিন্তু মাউরিস পূনরা তাকে অবজ্ঞা করে। শুরুর বড় অংশটি ভেঙ্গে যায়। মার্টাল প্রথম অর্ধেক ব্যয় করে সান্ধ্য দেয়ালের castmate- মাউরসীর বিপরীতে খেলা করা, যদিও সে অন্ধকারাচ্ছন্ন/ কালো এবং সে নিরাপত্তার জাল টানছে একজন পেশাদারিত্বের মত। তার হঠাৎ পশু সুলভ আচরণ এবং বিবস্ত্রতা (আমি আমি না…..! …. কেউ আমার ভিতর বিষ ঢালছে) যা ছায়া বক্সীয়ে হাত পা গুটিয়ে বসে এবং পা নাড়াচ্ছে- অসম্ভাবনীয় সফলতা। দর্শক সদস্যরা যারা ক্যাসাভেটকে কোন নির্দেশনা দেয়া না। তাতে চরিত্র যতই ফালতু হয়। মুক্ত ঘূর্ণয়মান হউক পূর্ণ শক্তিতে। সম্ভবত ক্যাসাভেট তার নাটক “ওপেনিং নাইটের” প্রথম দৃশ্যটির পূর্ণ কর্তন করে। তবে তা হয়েছিল ইতিবাচক গ্রহণ যোগ্যতায়।
ম্যাননীর সাধারণত অসুখী স্ত্রী, ডরথি (একজন আমোচনীয় আত্বমুখি জোহরা ল্যাম্পার্ট) যে হয় প্রধান দর্শক।” আনন্দ এবং জোরাল উল্লাসে সে দেখে। এবং চলচ্চিত্রের শেষে শ্রদ্ধার সঙ্গে বুকে টেনে নেয় মার্টালকে।
মার্টালের বিজয়ে জনগন দৃঢ়তার সঙ্গে কমই শ্রদ্ধা করেছিল। তা অপেক্ষা তার জীবনে শিল্পের নব জীবনের সঞ্চারের বিশ্বাস পরিলক্ষিত হয়। সে নির্দিষ্টভাবে মঞ্চ সচলতায় সত্ত্বা অস্তিত্বের পূর্ণ সজীবতা করত “মুহুর্তের মধ্যে।” যাই হোক, তা সংক্ষিপ্তভাবে সম্ভাব্য মধুর অভিজ্ঞতার বিনোদন দেয়। মার্টাল এবং মাউরসি সাহিত্যগত প্রত্যুৎপন্ন স্থানান্তর মঞ্চায়িত করত। তবে তা ক্যাসাভেটের চলচ্চিত্রের সঙ্গে গঠনগত মিল ছিল। একটি সম্পূর্ণ অ্যাকশন অতিক্রম করত শব্দ গুচ্ছে এবং ইঙ্গিত সমূহে। ভাবান্তর ভাষা সৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল অতিরঞ্জিত এবং তাৎপর্যপূর্ণ। ইহা বর্ণনাতীত ভালবাসার আকৃতি বিবেচনা করে। সঞ্চালন এবং মধুর পরিত্রান মূলক ফলাফল মার্টালের উন্মাদতার সংক্রামক প্রমাণ করে। “সে করতে পারেনি এবং পারবেও না” শিল্প ও তার জীবনের মধ্যে পার্থক্য করতে। যা তার উপস্থিতিতে বাধিত করে (যারা তাকে দেখেছে চলচ্চিত্রে, সতর্ক উদ্বায়িতা- স্বেচ্ছাচারী দ্বন্ধ, ক্যাসাভেটকে আকড়িয়ে ছিল। সে সংগ্রাম করেছিল চলচ্চিত্রের বিষয়াদী আয়ত্ব করতে। পূর্বে এবং এ যাবৎকালের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মাঝে যা পরিলক্ষিত হয় না।

No comments yet.

-যা কিছু বলার-